Awesome Image

পুরুষের হরমোন বীর্য পাতলা হলে, ও অল্প উত্তেজনায় পানি পানি বের হলে পুরুষের যৌন মিলনের সময় খুব দ্রুত বীর্য পাত হয়ে যায়। আর এতে করে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মনমালিণ্য ও বিবাধ সৃষ্টি হয়।

August 21, 2021

পুরুষদের মধ্যে প্রায় বেশির ভাগ পুরুষেই ভাবে বীর্য গাঢ় করার কথা ভাবে। ভাবে কিভাবে যৌন মিলন কে আরো দীর্ঘায়িত সময় করা যায়। আজ আমি আপনারদের কে আমি কিছু গাছ গাছালীর উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করবো যা আপনাদের সকলকে এ সমস্যা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি দিবে। ইনশাআল্লাহ।
পুরুষের দ্রুত বীর্যপাত বন্ধ করার জন্য বিভিন্ন গাছ-গাছালীর গুনাবলী আলোচনা করা হল।
এর মধ্যে কলমি শাক- কলমি শাক আমরা প্রায় সব সময় খেয়ে থাকি। এই কলমি শাকের গুনাবলী অনেক। কলমি শাকের রস। প্রতিদিন 3 চা চামচ এবং অশ্বদন্ধার মূলের গুড়া (কবিরাজী দোকানে পাওয়া যায়) দেড় গ্রাম গরুর এক কাপ দুধে মিশিয়ে রাতে শোবার সময় একবার করে খেলে বীর্য গাঢ় হবে এবং স্বপ্নদোষও বন্ধ হবে। পাশাপাশি এবং অল্প উত্তেজনা পানি পানি বের হওয়া বন্ধ হবে।এরপর বলব আপনাদের কে রামতুলসী পাতার রস পুরুষের ধ্বজভঙ্গের রোগের জন্য খুবই উপকারী। মাত্র দুই সপ্তাহ 14 দিন নিয়মিত খেলে রোগীর স্বাভাবিক যৌন ক্ষমতা ফিরে আসে। এবং যৌন সমস্যা গুলো স্বাভাবিকভাবে ঠিক হয়ে যাবে প্রাকৃতিক উপায়ে। বেল পাতা এই বেল পাতা যৌবন উত্তেজনা উম্মচিত হয়ে তরুন যুবক কু-পথে চালিত হয়ে শুক্রক্ষয় করে থাকে। তিন থেকে চারটি বেলপাতা ভালোভাবে বেটে তার রস আধাকাপ ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে কিছুদিন খেলে শরীরে তীব্র কাম উত্তেজনা হ্রাস পায়। তবে একটা দীর্ঘদিন খাওয়া মোটেই উচিত নয়। দম্পত্য জীবনে হিতে বীপরীত ফল হতে পারে। আলকুশীর বিজ যৌবনে নানা প্রকার কু-অভ্যাসের ফলে অতিরিক্ত শুক্র ক্ষয়ের জন্যে মহামূল্যবান বীর্য তরল বা পাতলা হয়ে যায়। আলকুশীর পাকা বীজ চার থেকে পাচটি আগের রাতে এক কাপ গরম দুধে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে বীজগুলোর কোসা ছাড়িয়ে শিলে মিহিন করে বেটে নিয়ে সামান্য গাওয়া গিয়ে বাটা বীজকে ভেজে নেয়া দরকার। তবে ভাজাটা খুব কড়াভাবে ভাজা চলবে না। ঠান্ডা হলে এক চা চামচ মিসরীগুড়া অথবা সমপরিমান চিনি মিশিয়ে দিনে একবার করে খেলে তরল বীর্য ঘন হয়ে যাবে এবং দ্রুত বীর্যপাত বন্ধ হবে। অন্তত বিশদিন করে খেয়ে যেতে হবে এবং পথ্য হিসেবে গরুর দুধ আদা কেজি ঔষুধ চলাকালীন খেয়ে যেতে হবে অন্তত এক মাস। শতমুলী গাছের শিকড় দেহে যৌবন আসার সাথে কু-অভ্যাসের ফলে বীর্য পাতলা হয়ে যায়। তাছাড়া কুচিন্তা এবং কুদৃশ্য ঐসব কুভাবনা চিন্তা দৃশ্য দেখে ঘুমের মধ্যে পাতলা বীর্য সহজেই বের হয়ে যায়। শতমূলীর রস 50 মিলি লিটার একটি স্টিলের পাত্রে রেখে তাতে 100 মিলিলিটার গাওয়া ঘিয়ে দিয়ে আচে পাক করতেহবে। এ ঘি তিন গ্রাম আধা কাপ সামান্য গরম দুধের সাথে মিশিয়ে সকালে বিকেলে খেলে বীর্য গাঢ় হবে এবং আপনার দ্রুত বীর্যপাত বন্ধ হবে। তবে নিজেকেও কিছুটা সংযত হতে হবার চেষ্টা করতে হবে। লতা কস্তুরী এই
লতাকস্তুরী কস্তুরী বীজের গুড়া দেড় গ্রাম, এক গ্লাস ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে নিয়মিত খেলে ধীরে ধীরে শুক্র বেড়ে যায় এবং বীর্য গাঢ় হয়। তবে নিয়মিত একমাস ধরে খাওয়া উচিত এর বেশি না।
আমাদের অনেকের প্রসাবের আগে অথবা পরে প্রস্রাবের সাথে বীর্য বেরিয়ে আসে বা আমরা এই রোগটাকে ধাতু ক্ষয় বলে থাকি। এ অবস্থায় পাথর চুনা গাছের পাতা নিয়ে থেতো করে আধাপোয়া পানিতে চটকে ছেকে নিন বা শীতলপাটায় বেটে নিন। তারপর তাতে অল্প চিনি বা গুড় মিশিয়ে শরবত করে খান, বীর্য গাঢ় হবে। এবং ধাতু ক্ষয় পুরোপুরি বন্ধ হবে।
বকুল ফুল– অপুষ্টিজনিত কারণে শুক্রতরল্য দেখা দিলে পাকা বকুল ফলের সিরাপ প্রতিদিন দুপুরে আহারের পর 1 চা-চামচ নিয়ে ঠান্ডা পানি মিশিয়ে 2 থেকে 3 সপ্তাহ খাবেন বীর্য গাঢ় হবে। বকুল ফুলের আরো গুনাগুন জানতে ক্লিক করুন।
রসুন– শুক্রতারল্য দেখা দিলে সামান্য গরম দুধের সাথে 1 কোয়া বা 2 কোয়া রসুন বাটা মিশিয়ে খাবেন বীর্য গাঢ়। রসুন এর গুনাবলী সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন। শিমুল গাছ– চারা শিমুলগাছের মুল থেতো করে বা বেঁটে 7 থেকে 10 গ্রাম নিয়ে তার সাথে একটু চিনি মিশিয়ে দু’বেলা খেলে বীর্য গাঢ় হবে। শিমুল গাছে উপকারীতা সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন।
উপরে যে কোন একটি পদ্ধতি অনুসরণ করে নিয়মিত ওষুধ খেলে বীর্য গাঢ় হবে। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মিলন হবে অটুট, মনে আসবে শান্তি এবং টাকা বাঁচবে বাঁচবে সময়ও। ভালো লাগলে মতামত দিন।
কলিকাতা হারবাল এটি একটি অত্যাধুনিক ইউনানী আয়ুর্বেদিক হারবাল চিকিৎসা কেন্দ্র। পুরুষ এবং মহিলাদের যাবতীয় গোপন রোগ সহ সব ধরনের রোগের সুচিকিৎসা করা হয় এবং সুপরামর্শ দেওয়া হয়। হাকিম ডা: হাফেজ ক্বারী মো: মাহাবুবুর রহমান!(রেজিষ্টার্ড হারবাল স্পেশালিস্ট যৌন. ডায়েবেটিস, চর্ম .সাস্থ্যহীনতা.মেদভুড়ি. হাঁপানি,বাত বেথা. হেপাটাইটিস (বি -ভাইরাস). অশ্ব গেজ. ও মহিলা রোগে (17 বৎসরের অভিঙ্গতা) বি:দ্র: আপনার কষ্টার্জিত অর্থ বিনষ্ট। না হওয়ার আগেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন। ভালভাবে ডা: চেম্বার,ডা:এর শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই বাচাই করে চিকিৎসা নিবেন। ফেইসবুকে বা অসত্য প্রচারনা থেকে এড়িয়ে চলুন। কলিকাতা হারবাল মোঃ পুর বাস স্টান্ড আল্লাহ করিম মসজিদ মার্কেট দ্বিতীয় তলা মোঃ পুর ঢাকা। 01763663333 /ইমু নাম্বার 0185006200