কলিকাতা হারবাল অল্প খরচে সুস্থ থাকতে চাইলে পাতে রাখুন লাল শাক। আজকের বিষয় লাল শাকের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ।

অল্প খরচে সুস্থ থাকতে চাইলে পাতে রাখুন লাল শাক। আজকের বিষয় লাল শাকের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ - কলিকাতা হারবাল

December 30, 2019

১০০ গ্রাম লাল শাকে রয়েছে ১০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১ গ্রাম ডায়াটারি ফাইবার, ৪.৬ গ্রাম প্রোটিন, ৪২ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ৩৪০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ১১ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ৩৬৮
মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২ মিলিগ্রাম আয়রন, ১.৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন এ এবং ৮০ মিলিগ্রাম
ভিটামিন সি। আর এই সবকটি উপাদানই যে শরীরের গঠনে ভিষণ ভাবে কাজে লাগে, তা নিশ্চয় আর আলাদা করে বলে দিতে হবে না।
বিশেষত ক্যান্সারের মতো মারণ রোগকে দূরে রাখতে, ওজন কমতে,কিডনির ক্ষমতা বাড়াতে 
এবং আরও নানাবিধ রোগের খপ্পর থেকে শরীরকে বাঁচাতে লাল শাকে উপস্থিত এই সব উপকারি উপদানগুলি নানাভাবে সাহায্য়ে করে থাকে। যেমন ধরুন…

আরও পড়ুন- 

১. অ্যাস্থেমার প্রকোপ কমে: বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে লাল শাকে উপস্থিত বিটা-

ক্যারোটিন শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে অ্যাস্থেমার প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে রেসপিরেটরি সিস্টেমের উন্নতিও ঘটে চোখে পরার মতো। তাই তো বলি
ৎবন্ধু, কলকাতার পাশাপাশি সারা রাজ্যে যে হারে বায়ু দূষণের মাত্রা বাড়ছে, তাতে লাল শাক খাওয়ার প্রয়োজন যে বেড়েছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই!
২. হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: বুড়ো বয়সে যদি নানাবিধ হাড়ের রোগে আক্রান্ত হতে না চান, তাহলে এখন থেকেই রোজের ডায়েটে জায়গা করে দিন লাল শাককে। কারণ এই
প্রাকৃতিক উপাদানটির অন্দরে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন কে, যা হাড়ের স্বাস্থ্যের
উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার হাড় শক্তপোক্ত হয়ে উঠলে
অস্টিওপরোসিস মতো হাড়ের রোগ যে আর ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
৩. হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: লাল শাকে উপস্থিত “ফাইটোস্টেরল” নামক একটি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর একদিকে যেমন ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে, তেমনি
নানাবিধ হার্টের রোগের অ্যান্টিডোট হিসেবেও কাজ করে। তাই তো সপ্তাহে কম করে ২-৩
দিন যদি লাল শাক খাওয়া যায়, তাহলে হার্টের ক্ষমতা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে কোনও ধরনের হার্টের রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

আরও পড়ুন- 

৪. অ্যানিমিয়ার মতো রোগ দূরে পালায়: লাল শাকে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো অ্যানিমিয়া
রোগীদের এই শাকটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, ২ আঁটি লাল
শাককে পিষে রস সংগ্রহ করে তার সঙ্গে ১ চামচ লেবুর রস এবং ১ চামচ মধু মিশিয়ে যদি নিয়মিত খেতে পারেন, তাহলে শরীরে কখনও রক্তের অভাব হবে না।
৫. দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: লাল শাকের মূল দিয়ে দাঁত মাজার পর নুন জল দিয়ে 
কুলকুচি করলে দাঁতের হলুদ ভাব কেটে যায়। সেই সঙ্গে পোকা লাগা সহ মাড়ি এবং দাঁত সম্পর্কিত নানাধিক রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।
৬. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে: লাল শাকে উপস্থিত ভিটামিন সি রেটিনার ক্ষমতা বৃদ্ধির মধ্যে দিয়ে সার্বিকভাবে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা চোখে কম
দেখেন বা পরিবারে গ্লকোমার মতো রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা সময় নষ্ট না করে আজ থেকেই লাল শাক খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন অল্প দিনেই উপকার পাবেন। 

আরও পড়ুন- 

আপনার সাস্থ সেবা নিশ্চিত করতে  সরাসরি ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। কলিকাতা হারবাল কেয়ার  একটি আধুনিক আয়ুর্বেদ চিকিৎসা কেন্দ্র।

tag: 

 কলিকাতা হারবাল  কলিকাতা হারবাল কেয়ার   কলিকাতা হারবাল ডাক্তার  kolikata herbal care kolikata herbal kolikata herbal dhaka kolikata herbal doctor kolikata herbal medicine original kolikata herbal kolikata herbal treatment kolikata herbal mohammadpur popular kolikata harbal  কলিকাতা হারবাল ঔষধ