কলিকাতা হারবাল গাজরের উপকারিতা ও গাজর এর ঔষধি গুনাগুন। জানলে আশ্চর্য হবেন আপনি

গাজরের উপকারিতা ও গাজর এর ঔষধি গুনাগুন। জানলে আশ্চর্য হবেন আপনি।

December 26, 2019

কমলা রঙের সবজি গাজর দেখতে যেমন দৃষ্টিনন্দন একইভাবে এই সবজিটির স্বাস্থ্য উপকারিতাও অসাধারণ। আকর্ষনীয় রঙ ও স্বাদের জন্য ছোট বড় সবার কাছেই এই সবজিটি জনপ্রিয়। গাজরের প্রচুর পুষ্টিগুণ আছে যা আমাদের শরীর ও ত্বক দুটির জন্যই খুবই উপকারী। গাজরের পুষ্টি উপাদান প্রতি ১০০ গ্রাম গাজরে আছে ক্যারোটিন ১০, ৫২০ মাইক্রোগ্রাম, শর্করা ১২.৭ গ্রাম, আমিষ ১.২ গ্রাম, জলীয় অংশ ৮৫.০ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭.০ মি. গ্রাম, আয়রণ ২.২ মি গ্রাম, ভিটামিন বি১ ০০.০৪ মি. গ্রাম, ভিটামিন বি২ ০.০৫ মি. গ্রাম, চর্বি ০.২ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৫ মি. গ্রাম, আঁশ ১.২ গ্রাম, অন্যান্য খনিজ ০.৯ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৫৭ ক্যালরি। গাজরের স্বাস্থ্য উপকারিতা চোখের দৃষ্টি শক্তি বাড়িয়ে তুলে চোখকে ভালো রাখতে গাজর অতুলনীয়। এতে আছে বিটা ক্যারোটিন যা আমাদের লিভারে গিয়ে ভিটামিন এ তে রূপান্তরিত হয়।

আরও পড়ুন- 

পরে সেটি চোখের রেটিনায় গিয়ে চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এমনকি যারা রাতে চোখে কম দেখেন তাদের জন্যও গাজর একটি আদর্শ খাদ্য উপাদান। সমীক্ষায় দেখে যে গাজর ব্রেস্ট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার ও ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো ক্যান্সার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রাখে। গাজরের বিদ্যমান ফ্যালক্যারিনল ও ফ্যালক্যারিডিওল উপাদান ক্যান্সারের ক্ষতিকর কোষ গঠনে বাধা প্রদান করে। প্রতিদিন অন্তত একটি করে গাজর খাওয়াও আপনাকে ক্যান্সারের মতো প্রাণঘাতী রোগ থেকে দূরে রাখে। প্রায় সময়ই আমাদের শরীরের কোথাও কেটে ছিঁড়ে গেলে ইনফেকশন বা সংক্রমণ হয়ে যায়। এই সংক্রমণ রোধে গাজর খুব কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। খানিকটা গাজর নিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে কাটা জায়গায় লাগিয়ে দিন। হৃদরোগের ক্ষেত্রেও গাজর ভালো কাজ করে। গাজরের ক্যারোটিনয়েডগুলো হৃৎপিণ্ডের নানা অসুখের ওষুধস্বরূকাজ করে। তাই আপনি যদি গাজর শুধু শুধু চিবিয়েও খেতে পারেন তাতেই আপনার হৃদরোগের বিরুদ্ধে বেশ ভালো একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। বর্তমান সময়ে আমরা অনেকেই ওজন কমানোর পাল্লায় পড়ে কতশত ডায়েট চাট ও খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করে চলি।

আরও পড়ুন- 

 কিন্তু ওজন কমানোর জন্য আপনি যদি গাজর ডায়েট হিসেবে বেছে নেন তাহলে আপনার ওজন কমানোর ঝামেলা অনেকখানিই কমে যাবে। হালকা ক্ষিদাভাব হলেই আজেবাজে জিনিস না খেয়ে একটা গাজর খান। গাজরের সৌন্দর্য উপকারিতা ত্বকে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি ও পটাশিয়াম না থাকায় ত্বক এমনিতেই শুষ্ক হয়ে যায়। তাই শীতে ত্বকের শুষ্কতা রোধে যদি গাজরের জুস করে খান তাহলে ত্বক থাকবে নরম আর কোমল। আপনি যদি নিয়মিত গাজর খান তাহলে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বক ভালো থাকবে। গাজর খেলে বাহ্যিক ক্ষতি থেকে ত্বক রক্ষা পায় এবং ত্বকে সহজে বয়সের ছাপ পড়ে না। নিয়মিত খাবার তালিকায় গাজর রাখলে শরীরের বয়সজনিত ক্ষতিগুলো কম হয়। বয়সের কারণে কোষের ক্ষতি রোধ করতে গাজরের ভূমিকা অনেক। গাজর খেলে ত্বকের স্বাস্থ্য ভেতর থেকে ভালো থাকে।এছাড়াও গাজরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে যেগুলো ত্বককে ব্রণ থেকে রক্ষা করে। এমনকি ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় গাজরের রস লাগালে উপকার পাওয়া যায়। যদি চান ত্বক আরেকটু উজ্জ্বল আর লাবণ্যময় করতে চান তাহলে খানিকটা গাজর মধু দিয়ে পেস্ট করে ত্বকে লাগান। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে। কাঁচা গাজর চিবিয়ে খেলে দাঁত সাদা ও চকচকে হয়ে ওঠে। এছাড়া দাঁতের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে গাজর চিবিয়ে খেতে পারেন। লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। গাজরের ঔষধি গুনাগুণ

আরও পড়ুন- 

আপনার সাস্থ সেবা নিশ্চিত করতে  সরাসরি ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। কলিকাতা হারবাল কেয়ার  একটি আধুনিক আয়ুর্বেদ চিকিৎসা কেন্দ্র।

tag: 

 কলিকাতা হারবাল  কলিকাতা হারবাল কেয়ার   কলিকাতা হারবাল ডাক্তার  kolikata herbal care kolikata herbal kolikata herbal dhaka kolikata herbal doctor kolikata herbal medicine original kolikata herbal kolikata herbal treatment kolikata herbal mohammadpur popular kolikata harbal  কলিকাতা হারবাল ঔষধ