Awesome Image

প্রসাবে জ্বালাপোড়ার কারণ ও ঘরোয়া প্রতিকারের ৫টি উপায় জানলে আপনি অবাক হবেন।

January 02, 2021

প্রসাবে জ্বালাপোড়ার লক্ষণ
আমরা সকলেই প্রসাবে জ্বালাপোড়া বা ইউরিন ইনফেকশনের সাথে কমবেশী পরিচিত। প্রায় প্রত্যেকটি ঘরেই প্রসাবে জ্বালাপোড়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি দেখতে পাওয়া যায়। এটি নারী পুরুষ সকলেরই হয়ে থাকে। তবে নারীদের মাঝেই এটি বেশী দেখা দেয়। প্রসাবে জ্বালাপোড়া মূলত একটি উপসর্গ। এটি কোন রোগ নয়। সাধারণত ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হলে এটি হয়ে থাকে। আবার ছত্রাক বা ফাঙ্গাস দ্বারা আক্রান্ত হলেও এই সমস্যা হয়। চলুন জেনে নেই, প্রসাবে জ্বালাপোড়ার কারণ, লক্ষণ ও ঘরোয়া প্রতিকার সম্পর্কে।
১) প্রসাবে জ্বালাপোড়া হওয়ার মূল কারণ হলো পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান না করা। পানি আমাদের দেহের বেশীর ভাগ রোগ নিরাময় করতে সাহায্য করে। অপর্যাপ্ত পানি দেহের নানাবিধ রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পর্যাপ্ত পানির অভাবে পশ্রাবে জ্বলাপোড়া হয়। প্রসাবে জ্বালাপোড়া সাধারণত তাদের মাঝেই দেখা দেয় যারা দেহের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করে না। ইউরিন ইনফেকশনের কারণ
২) নারীদের ক্ষেত্রে এই উপর্সগটি বেশ কষ্টদায়ক। মেয়েদের পায়ুপথের খুব কাছেই মূত্রনালী অবস্থিত। যার ফলে পায়ুপথের মাধ্যমে অনেক ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস মূত্রনালীতে প্রবেশ করে এবং জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি করে। ৩) নারীদের প্রসাবে জ্বালাপোড়া হওয়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে মাসিক বা পিরিয়ড। প্রতি মাসেই মেয়েদের মাসিক বা পিরিয়ড হয়। সকলেই সেই সময় ন্যাপকিন কিংবা কাপড় ব্যবহার করে। সেই ন্যাপকিন বা কাপড়ের সাথেও জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়া মূত্রনালিতে প্রবেশ করে এবং সংক্রমণের সৃষ্টি করে। আবার সঙ্গীর সাথে মেলামেশার ফলেও প্রসাবে জ্বালাপোড়া হতে পারে। তাই এইসব কারণগুলো বের করে এর প্রতিকার করা আবশ্যক।
ইউরিন ইনফেকশনের লক্ষণ
ইউরিন ইনফেকশনের কিছু সাধারণ লক্ষণ রয়েছে। এসব লক্ষণ দেখা দিলেই বুঝে নিতে হবে যে প্রসাবে জ্বালাপোড়ার সমস্যাটি হচ্ছে। ১) প্রথমত প্রসাবের সময় প্রচন্ড পেট ব্যথা এবং পিঠের পিচে ব্যথা অনুভূত হয়। ইউরিন ইনফেকশনের লক্ষণ
২) প্রসাবের বেগ আসা স্বত্বেও পর্যাপ্ত পরিমানে প্রসাব না হওয়াও এই উপসর্গের একটি লক্ষণ। ৩) তাছাড়া গন্ধযুক্ত ও ঘোলাটে এবং লাল রঙ সমন্বিত প্রসাবও হয়ে থাকে। এই জ্বালাপোড়া অতি মাত্রায় বেড়ে গেলে জীবাণু দেহের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পরে এবং কিডনিতে গিয়ে পাথর সৃষ্টি করে ফেলে। তাই এই সমস্যাকে বাড়তে দেয়া উচিৎ না। প্রাথমিক অবস্থাতেই এর চিকিৎসা করা প্রয়োজন। সাধারণ লক্ষণ দেখা দিলে