Awesome Image

প্রতিদিন ১টি কলা খেয়ে, দূর করুন এই ১২টি স্বাস্থ্য সমস্যা।প্রতিদিন কলা খাওয়ার বিস্ময়কর উপকারিতা সম্পর্কে জানলে অবাক হবেন

August 11, 2020

প্রতিদিন ১টি কলা খেয়ে, দূর করুন এই ১২টি স্বাস্থ্য সমস্যা।প্রতিদিন কলা খাওয়ার বিস্ময়কর উপকারিতা সম্পর্কে জানলে অবাক হবেন।
অতিপরিচিত সস্তা একটি ফল হলো কলা। সারা বছর পাওয়া যায় এ ফলটি। কিন্তু এ ফলটি খেতে আমরা অনেকেই পছন্দ করি না। আবার অনেকে মনে করেন কলা শরীরকে মোটা করে তোলে। অথচ নিয়মিত কলা খেলে হজমক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।কলা দৈনন্দিন অনেক পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে দেহকে সুস্থ রাখে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন ১টি কলা, আর দেখুন এর ম্যাজিক। তাহলে জেনে নেয়া যাক বিডি রমণীর দেয়া প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কলা রাখার উপকারিতা।১. কলা একটি আঁশযুক্ত ফল। এটি হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। হজমের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন ১টি করে কলা খান।২. শরীরে হিমোগ্লোবিন ও ইনসুলিনের জন্য প্রচুর ভিটামিন-বি৬ প্রয়োজন। আর কলায় প্রচুর ভিটামিন-বি৬ আছে, যা দেহে পুষ্টি জুগিয়ে থাকে।৩. প্রতিদিন ৩টি করে কলা খেলে আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে। যারা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, তাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কলা রাখুন, দেখবেন রক্তচাপ আপনার নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।
৪. প্রতিদিন ব্যায়াম করার আগে ২টি কলা খেয়ে নিন। এটি আপনার দেহের রক্তে শর্করার পরিমাণ ঠিক রাখবে এবং তার সঙ্গে বস্নাড সুগারও নিয়ন্ত্রণ করবে। ৫. কলায় প্রচুর আয়রন আছে। ফলে নিয়মিত কলা খেলে দেহের রক্তশূন্যতা দূর হয়।৬. কলা ওজন কমাতেও সাহায্য করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, কলা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরার অনুভূতি দিয়ে থাকে। ফলে অন্য কোনো খাবার খাওয়ার রুচি ও আগ্রহ থাকে না, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে।৭. এক গবেষণায় বলা হয়েছে, আঁশযুক্ত খাবার কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন কলা খান আর হৃদরোগ থেকে দূরে থাকুন। ৮. শরীরের পেশির সুস্থতার জন্যও কলা বেশ উপকারী। ব্যায়ামের আগে কিংবা পরে কলা খান এটি আপনার পেশির সমস্যা দূর করবে এবং পায়ের মজবুত পেশি গঠনে সাহায্য করে।৯. আমরা অনেকেই মনে করি লেবু, আর কমলাতেই শুধু ভিটামিন সি আছে। কিন্তু মজার ঘটনা কলায়ও পাওয়া যায় কিছু ভিটামিন সি। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় অনেক পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায় কলা থেকে। ১০. কলায় প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম আছে যা বিষণতা দূর করতে সাহায্য করে। আমরা অনেক সময় বিভিন্ন কারণে বিষণতায় ভুগি। এ বিষণতা দূরীকরণে কলা অনেক বেশি কার্যকর।১১. কলা দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। কলায় প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন, মিনারেল আছে যা দেহের এনার্জি লেভেল ঠিক রেখে শক্তির বৃদ্ধি ঘটায়। প্রতিদিন নাশতায় ১টি কলা রাখুন, যা আপনাকে সারা দিনে কাজে এনার্জি দেবে।১২. কলায় প্রচুর পটাশিয়াম আছে, যা মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ করে। প্রতিদিন কলা খাওয়ার বিস্ময়কর উপকারিতা!বিদেশি দামি ফলের দিকে না ঝুঁকে কম দামে দেশি ফল খাওয়া বেশি উপকারী। তাই শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ছোট-বড় সকলেরই একটি করে কলা খাওয়া উচিৎ কলা বহুগুণে সমৃদ্ধ। বিদেশি দামি ফলের দিকে না ঝুঁকে কম দামে দেশি ফল খাওয়াই ভালো। তাই শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ছোট-বড় সকলেরই একটি করে কলা খাওয়া উচিৎ। উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম বিদ্যমান থাকায় এটি একটি পুষ্টিকর খাবার। এর নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কলা খাওয়ার কিছু উপকারিতা হৃদযন্ত্র ভালো রাখে পাকাকলা পটাশিয়ামের আধার। প্রতিদিন একটি বা দুটি কলা খেলে আপনার হৃদযন্ত্র অনেক বেশি সচল থাকবে এবং হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমবে।কিডনি সুস্থ রাখে কলার পটাশিয়াম এমনকি কিডনিও ভালো রাখে। ইউরিনে ক্যালসিয়াম জমা হতে বাধা দেয় বলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। এরফলে হাঁড় মজবুত হওয়ার জন্যও আরও বেশি ক্যালসিয়াম বরাদ্দ থাকে। শরীরে শক্তি যোগায় কলাতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক শর্করা ও সল্যুবল ফাইবার, যা ধীরে হলেও দৃঢ় শক্তির যোগান দেয় শরীরে। একারণে খেলোয়াড়দের প্রায়ই খেলার আগে বা খেলা চলাকালীন কলা খেতে দেখা যায়। খাদ্য হজমে সহায়তা করে কলার ফাইবার ও প্রোবায়োটিক অলিগোস্যাকারাইজড হজমে দারুণ সহায়ক। এরফলে আপনার শরীর আরও বেশি পরিমাণে পুষ্টি সঞ্চয় করতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য ল্যাক্সেটিভ না নিয়ে অতিরিক্ত পাকা কলা খেয়েই দেখুন না! রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায় কলায় আছে প্রচুর পরিমাণে বিটামিন বি৬, যা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড সৃষ্টি করে, রক্তে শর্করার পরিমাণ ঠিক রাখে এবং হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে। অর্থাৎ, শরীরে উৎকৃষ্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টির জন্য কলার জুড়ি মেলা ভার।
পাকস্থলীর আলসার ও বুক-জ্বালা রোধ করে কলা প্রোটেক্টিভ মিউকাস লেয়ার বৃদ্ধির মাধ্যমে পাকস্থলিতে পিএইচ লেভেল ঠিক রাখে, যা আপনাকে বুক-জ্বালা ও পাকস্থলীর আলসার থেকে রক্ষা করবে। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়
সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত পাকাকলা শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ TNF-A নামক এক ধরণের যৌগ সরবরাহ করে, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ বাড়ায়। এতে করে ব্লাড ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে যায়। মানসিক চাপ কমায় ও সুনিদ্রায় সহায়তা করে কলায় আছে ট্রিপটোফ্যান নামক অ্যামিনো এসিড যা সেরোটোনিনে পরিবর্তিত হয়। সেরোটোনিনের সঠিক মাত্রা আপনার মুড ঠিক রাখবে এবং মানসিক চাপ কমাবে। এতে করে আপনার ভালো ঘুম হবে। ত্বক সজীব করে কলার চামড়ায় কিছু পরিমাণে ফ্যাটি উপাদান আছে, যা ত্বকে ঘষলে ময়েশ্চারাইজারের মতো উপকার পেতে পারেন। আবার ব্রন দূর করার জন্যও কলার চামড়া ব্যবহার করা হয়। তবে সবধরনের ত্বকের জন্য তা কাজ নাও করতে পারে। তবু একবার চেষ্টা করে দেখতে তো দোষ নেই! শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৃদ্ধি করে কলা ডোপামিন, ক্যাটেচিন্স এর মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এর দারুণ উৎস। এগুলো শরীরকে সার্বিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার কাজ করে। অ্যানিমিয়ার মতো রোগের প্রকোপ কমে কলায় রয়েছে বিপুল পরিমাণে আয়রন যা শরীরে লহিত রক্তকণিকার মাত্রা বৃদ্ধি করার মধ্যে দিয়ে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা এমন রোগে ভুগছেন, তারা আয়রন ট্যাবলেটের পাশাপাশি যদি নিয়ম করে কলা খেতে পারেন, তাহলে কিন্তু দারুণ উপকার মিলতে পারে।
হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে কলার ভেতরে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা পাচকরসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটে। শরীরের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানগুলো বের করে দেওয়ার মধ্যদিয়ে দেহের প্রতিটি অঙ্গকে চাঙ্গা রাখতে কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এই ফলটিতে আছে প্রেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরের প্রবেশ করা মাত্র ক্ষতিকর উপাদানদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে। ফলে রোগমুক্ত শরীরের অধিকারী হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না। ওজন নিয়ন্ত্রণে আসে কলায় পটাশিয়াম ছাড়াও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার যা অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাওয়ার পরিমাণ কমতে শুরু করে। আর কম খেলে যে ওজনও কমে, সে কথা কার না আজানা বলুন! কনস্টিপেশনের মতো রোগ সারাতেও ফাইবার বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কলিকাতা হারবাল হাকিম ডা: হাফেজ ক্বারী মো: মাহাবুবুর রহমান!(রেজিষ্টার্ড হারবাল স্পেশালিস্ট যৌন.যৌন.চর্ম সাস্থ্যহীনতা. মেদভুড়ি. হাঁপানি,বাত বেথা. হেপাটাইটিস (বি -ভাইরাস). অশ্ব গেজ. ও মহিলা রোগে (17 বৎসরের অভিঙ্গতা) বি:দ্র: আপনার কষ্টার্জিত অর্থ বিনষ্ট। না হওয়ার আগেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন। ভালভাবে ডা: চেম্বার,ডা:এর শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই বাচাই করে চিকিৎসা নিবেন। ফেইসবুকে বা অসত্য প্রচারনা থেকে এড়িয়ে চলুন।, কলিকাতা হারবাল মোঃ পুর বাস স্টান্ড আল্লাহ করিম মসজিদ মার্কেট দ্বিতীয় তলা মোঃ পুর ঢাকা , 01763663333 /ইমু নাম্বার 01716064303 এটা আমার ইউটিউব এর লিংক।