Awesome Image

অ্যালোভেরার উপকারিতা | ৮ টি দারুণ ফেইস প্যাকে হবে ত্বকের যত্নঅ্যালোভেরার উপকারিতা নিয়ে আমরা কতটা জানি?

January 26, 2020

ত্বক ভাল রাখতে অ্যালোভেরার কোনও বিকল্প আছে বলে তো মনে হয় না। তাই তো বলি, সৌন্দর্যের একেবারে চূড়ায় পৌঁছাতে চাইলে আপনার গাইড হতেই পারে প্রাকৃতিক এই উপাদানটি। কারণ অ্যালোভেরা শুধু ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে না, সেই সঙ্গে নানা ধরনের স্কিন প্রবলেম-কেও দূরে রাখে। এক্ষেত্রে জেনে রাখা ভাল যে নানা ধরনের ত্বকের জন্য নানাভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে একে! অ্যালোভেরার উপকারিতা বলে শেষ করার মত নয় । এতে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকার কারণে বিউটি প্রোডাক্ট হিসাবে অ্যালোভেরার জনপ্রিয়তায় কোনওদিন ভাটা পড়ে নি। শুধু কি তাই! এতে http://www.kolikataherbaldoctor.com/
রয়েছে ল্যাকটিন, মেনাস এবং পলিস্যাকারাইড। এই উপাদানগুলি নানাভাবে ত্বকের উপকার করে থাকে। তাহলে অপেক্ষা কিসের! ঝটপট আপনার ত্বকের জন্য জেনে নিন অ্যালোভেরার ৮ ধরনের ফেইস মাস্ক ও তাদের কার্যকারিতার কথা।অ্যালোভেরা ও নিম পাতা
http://www.kolikataherbaldoctor.com/
ত্বকের প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি স্কিন-এর শুষ্কতা দূর করতে এবং ত্বককে প্রাণোচ্ছল বানাতে অ্যালোভেরার উপকারিতা অসীম। অ্যালোভেরা ও নিম পাতা– এই ২ টি উপাদান মিলিয়ে বানিয়ে ফেলুন একটি পেস্ট। তরপর সেটি মুখে লাগিয়ে নিন। প্রসঙ্গত, ভাল করে মুখটা ধুয়ে নিয়ে ফেইস মাস্কটি লাগাবেন। নচেৎ ভাল ফল পাবেন না। অ্যালোভেরা ও হলুদ দুধ, হলুদ এবং অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে বানানো এই ফেইস মাস্ক-টি উজ্জ্বল এবং নরম ত্বক পেতে আপনাকে সাহায্য করবে। প্রসঙ্গত, হলুদে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা ব্রণের প্রকোপ কমায়। অপরদিকে, অ্যালোভেরা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। আর দুধ কী কাজে লাগে? কাঁচা দুধ ত্বকের পিএইচ লেভেল ঠিক রাখে। ফলে ত্বক নরম হয়।অ্যালোভেরা ও গোলাপ জল শুষ্ক ত্বককে স্বাভাবিক করতে এই ফেইস মাস্ক-টি দারুণ কাজে আসে। সেই সঙ্গে বলি রেখা, ব্রণ এবং কালো ছোপ আটকাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। প্রসঙ্গত, অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে কয়েক ড্রপ গোলাপ জল মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন মুখটা। অ্যালোভেরা ও শসা যাদের ত্বক খুব স্পর্শকাতর, তারা এই ফেইস মাস্ক-টি ব্যবহার করতে পারেন। এটি বানাতে একটা অ্যালোভেরা পাতা থেকে সংগ্রহীত জেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা শসার রস মেশাতে হবে। যখন দেখবেন দুটি উপাদান ভাল মতন মিশে গেছে, তখন সেটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। প্রসঙ্গত, তৈলাক্ত ত্বক, ময়লা এবং ত্বকে জমতে থাকা নানা ক্ষতিকর উপাদানকে পরিষ্কার করে ফেলতে এই ফেইস মাস্ক-টি দারুণ কাজে দেয়। অ্যালোভেরা ও লেবু আপনার কি ড্রাই স্কিন? তাহেল এই ফেইস মাস্ক-টি আপনার জন্য একেবারে পারফেক্ট! কারণ অ্যালোভেরা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ, যা ব্রণ এবং চুলকানি কমায়। এখানেই শেষ নয় এই প্রাকৃতিক উপাদানটি লাগালে স্কিন আর্দ্র হয়। ফলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হয়। কীভাবে বানাতে হবে এই ফেইস মাস্ক-টি? এটি বানানো খুব সহজ! পরিমাণমতো অ্যালোভেরা জেল নিয়ে তাতে এক ড্রপ লেবুর রস দিয়ে ভাল করে দুটি উপাদান মেশান। তারপর তা মুখে লাগিয়ে কম করে হলেও ২০ মিনিট রেখে দিন। সময় হয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। অ্যালোভেরা ও মুলতানি মাটি
http://www.kolikataherbaldoctor.com/