Awesome Image

অন্য কোনো উপায় নয়, জন্মনিয়ন্ত্রণ করবে পান! শুধু জানুন পদ্ধতি। অবাক করার মত পানের ভেষজ গুণ।

July 23, 2020

পান খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে। যা কিনা অনেকের কাছে বদঅভ্যাসেও পরিণত হয়েছে। অনেকেই মনে করেন পান খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে ধারণাটি পুরোপুরি ঠিক নয়। কারণ পান খাওয়ার রয়েছে আশ্চর্য সব উপকারিতা।
দেহের ক্লান্তি ও স্নায়ুবিক দুর্বলতা কাটানোসহ খাবার হজম হতে ও খিদে পেতে সাহায্য করে পান।
এছাড়াও পানের রয়েছে বিস্ময়কর সব গুণ।
দেরি না করে চলুন জেনে নেয়া যাক পান খাওয়ার উপকারিতাগুলো গ্যাস্ট্রিক আলসার দূর করে পান খেলে পেটে বায়ু জমে কম। যার ফলে গ্যাস্ট্রিক ও আলসার সৃষ্টির সুযোগ পায় না। পানের রস হজমে সাহায্য করায় তা পেটে বদ গ্যাস তৈরিও রোধ করে। যার ফলে পেট ফাঁপে না। জন্মরোধ করে
পান গাছের শিকড় বেটে রস করে খেলে ছেলেপুলে হয় না। জন্ম নিরোধক বড়ি না খেয়েও এটা জন্মনিয়ন্ত্রণে সেবন করা যায়। বিভিন্ন দেশের গবেষণায় এর প্রমাণও মিলেছে।যৌন শক্তি বাড়ায়
এটি একটি পুরনো প্রথা তবে কার্যকর। পানের রস যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে। আগেকার দিনে নববিবাহিতরা বেশি বেশি পান খেতেন। চর্মরোগ সারায় দেহের কোথাও চুলকানি বা পাঁচড়া হলে সেখানে পান পাতার রস লাগিয়ে দিলে কয়েক দিনের মধ্যে তা ভালো হয়ে যায়। মুখ ও দাঁতের উপকার করে দাঁতের মাঢ়ি দূষিত হলে ফুলে যায় এবং ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে পানের রসের সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে কুলকুলি করলে ধীরে ধীরে ক্ষত শুকিয়ে যায়। মুখগহ্বরে কোনো ক্ষত হলে পানের রসে তার উপশম হয়। পানের রসে এসকরবিক এসিড আছে যা একটি চমৎকার এন্টিঅক্সিডেন্ট। এটা মুখের ক্যান্সারও প্রতিরোধ করে।আঁচিল দূর করে শরীরে আঁচিল হলে তার উপর কয়েক দিন পানের রস লাগান। এতে ধীরে ধীরে খসে পড়বে আঁচিল এবং ওই জায়গায় আর তৈরিও হবে না।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে পান রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলে গবেষণায় জানা গেছে। ফলে পানে রয়েছে ডায়াবেটিস প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য।সর্দি বের করে বুকের ভেতর কফ, সর্দি বা শ্লেষ্মা জমা হলে তা বের করতে পানের রস কার্যকর। এক্ষেত্রে পানের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে কয়েক দিন খেতে হবে। এতে বুকে জমা কফ বেরিয়ে যাবে। ঠাণ্ডা লাগা দূর করে ঠাণ্ডা লাগা সারাতে পান চমৎকার কাজ করে। ঠাণ্ডা লাগলে সর্দি কাশিও হয়। এক্ষেত্রে পান পাতা গরম পানি দিয়ে ছেঁচে রস বের করতে হবে। এ রসের সঙ্গে এক চিমটি গোলমরিচের গুঁড়া ও আদার রস মিশিয়ে খেলে উপসম মিলবে।পিঠে ব্যথার উপশম করে নানা কারণে পিঠে ব্যথা হতে পারে। শোয়া থেকেও হয়। বয়স্কদের এ সমস্যা প্রায়ই দেখা দেয়। মাংসপেশির টান থেকেও এরূপ ব্যথা হতে পারে। এক্ষেত্রে ব্যথা জায়গায় পান পাতা দিয়ে সেঁক দিলে উপকার মেলে। এছাড়া পান পাতার রসের সঙ্গে নারিকেল তেল মিশিয়ে ব্যথা জায়গায় মালিশ করলে ব্যথা কমে।মূত্র স্বল্পতা ও মূত্রকৃচ্ছতার উপশম করে যাদের কম প্রস্রাব হয় বা প্রস্রাব করতে গেলে কষ্ট হয় তারা পান পাতার রস সেবন করে উপকার পেতে পারেন। এক্ষেত্রে ১টি পান পাতা ছেঁচে রস করতে হবে। সেই রস একটু দুধের সাথে মিশিয়ে পান করলে উপকার হবে। এতে দেহে পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়বে ও মূত্রকৃচ্ছতা চলে যাবে।ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় পান পাতায় আছে চমৎকার এন্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ও দেহে ক্যান্সার সৃষ্টি প্রতিরোধ করে।